এইবার ওমরাহ তে গিয়ে সবচেয়ে অদ্ভুত কোন জিনিস ট্রাই করে থাকলে সেটা হচ্ছে Areeka।এটাকে ওরা নাস্তা বলে।এটা মূলত ইয়েমেনি একটা খাবার এটা নাকি সৌদির লোকেরা নাস্তা হিসেবে খায়।এটার ইনগ্রেডিয়েন্স লিস্ট যদি বলি তাইলে অনেকেরই মাথা চক্কর দিতে পারে শুনেই!প্রথমে এক লেয়ার ক্রিম দেওয়া হয় এর উপর ঘিয়ে ভাজা পরোটা,খেজুর আর কলা চটকায়ে একটা ডো এর মতো বানায়ে এটারে মাংস কিমা করার মেশিনে গ্রাইন্ড করে সেটা বিছিয়ে দেয়,তারপর আবার ক্রিম,এর উপরে শ্রেডেড চিজ,কর্নফ্লেক্স,প্রচুর কাজুবাদাম, দুধ,কনডেন্সড মিল্ক এবং সবশেষে মধু! এই জিনিস বিখ্যাত একটা দোকানে যার নাম Am Qasim বা আংকেল কাসিম নাম।এটা আগে হারাম শরীফের কাছেই ছিলো কিন্তু এখন একটু দূরে চলে গেছে।ট্যাক্সি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট লাগে।কিন্তু পরে দেখলাম বিভিন্ন ফুডকোর্টেই এই জিনিস সেল করতেছে তাই এটার জন্য এতো দূর যাওয়ার কোন দরকার নাই।আমি ট্রাই করেছিলাম Jabal Omar Mall এর ফুডকোর্টের একটা দোকান থেকে।২-৩ চামচ খেয়ে আর খেতে পারি নাই এতো মিষ্টি! মানে সাতসকালে এই জিনিস যদি কেউ খায় যে পরিমাণ সুগার স্পাইক হবে এটা কিভাবে কন্ট্রোল করে ওরা আমার জানা নাই!মানে এতো পরিমাণে মিষ্টি কিভাবে খায় এরা আমার মাথায় ধরে না!খুবই অদ্ভুত কম্বিনেশন এর খাবার।Curiosity থাকলে ট্রাই করে দেখতে পারেন কিন্তু আমি এটা সাজেস্ট করবো না।
Monday, January 13, 2025
Hajj Umrah
=====
আমরা যারা হজ্জ্ব বা ওমরাহ সম্পন্ন করতে এসে মসজিদ-আল-হারামে সালাত আদায়ের সুযোগ পেয়েছি, তাদের অনেকেই হয়তো জানিনা — এই পবিত্র মসজিদের ভেতরেই রয়েছে এক সুবিশাল গ্রন্থশালা।
তাই কাবাঘর তাওয়াফ, সাফা মারওয়া সায়ী, হাতিমের ভেতরে মীযাবে রহমতের নীচে দোয়া, রুকুনে ইয়ামিন ও মুলতাযিম ছুয়ে দেখা, হাজরে আসওয়াদে চুমু দেয়া এবং মাকামে ঈব্রাহীমে সালাত আদায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকেছে আমাদের ইবাদতের তালিকা।
অথচ হারাম শরিফের ভেতরে অবস্থিত ওই গ্রন্থাগারে রয়েছে — থিওলজি অ্যান্ড মেটাফিজিক্স, ইসলামিক জুরিস্প্রুডেন্স, কম্প্যারাটিভ রিলিজিয়ন, অথরিটি অব সুন্নাহ, কোরআনিক মরফোলজি, ইসলামিক ফিলসফি, মেথডলজি অব প্রিচিং ইসলাম, অ্যারাবিক লিটারেসি'সহ এধরণের নানান বিষয়ের উপর উচ্চতর পড়াশুনা ও গবেষণার উপযোগী পচাত্তর হাজারের বেশী বইয়ের সংগ্রহ।
আমি অনুরোধ করব, বাংলাদেশ থেকে যারাই আসবেন, অন্তত কিছুটা সময় বরাদ্দ রাখবেন এই লাইব্রেরির জন্য। মসজিদ-আল-হারামের চুরাশি নম্বর গেট দিয়ে প্রবেশ করে দোতলায় উঠে আলোকিত হবেন ইসলামিক জ্ঞানে।
====
এইবার ওমরাহ তে আমি খাওয়াদাওয়ার উপর খুব একটা ফোকাস করি নাই কারণ একেতো আমি যাওয়ার পরই খুব অসুস্থ হয়ে গেছিলাম।কোন কোনদিন একবেলা খেয়ে থেকেছি।তাই তেমন একটা এক্সপ্লোরও করতে পারি নাই।একেবারে আমার হোটেলের আশেপাশে যা ছিলো সেগুলোর মধ্যে থেকেই টুকটাক যা পেরেছি ট্রাই করেছি।এই B Laban এর খুব নাম শুনেছিলাম কিন্তু সত্যি বলতে আমি কিছুটা আশাহতই হয়েছি খেয়ে। ট্রাই করেছিলাম ওদের দুইটা ডেজার্ট Salankate Pistachio (Creme brulee with a piece of ashtouta, caramelized sugar, fried kunafa, pistachio sauce) আর Mango Qashtota (A piece of Turkish milk cake watered with milk, Qeshta and a layer of fresh mango pieces).
দুইটাই আমার কাছে অতিরিক্ত লেগেছে খেলে মাথা ধরে যায় এমন।আরেকটা কারণ হতে পারে আমি এই টাইপ ডেজার্ট এখানকার ইয়েমেনি ক্যাফে গুলোতে রেগুলার খাই তাই হয়তো সেই Wow Factor টা কাজ করে নাই যেটা বাংলাদেশ থেকে গেলে কাজ করতো।এটা নিয়ে অনেকে বিরূপ মন্তব্য করতে পারে কিন্তু যেটা সত্যি সেটা তো বলতেই হবে।Overall একবার ট্রাই করার জন্য ঠিক আছে দ্বিতীয়বার খাওয়ার মতো কিছু লাগে নাই আমার কাছে
============
উটের মাংস খেলে যে ওযু ওয়াজিব হয় এটা কে কে জানতেন?আমি জানতাম না।এটাও এইবার ওমরাহ করতে গিয়ে জানলাম! আমাকে আমার ইজিপশিয়ান আমেরিকান সফরসঙ্গী যখন বলেছিলেন ব্যাপারটা আমি খুব অবাক হয়েছিলাম পরে রেফারেন্স চেক করতে গিয়ে দেখি আসলেই ব্যাপারটা সত্যি!
জাবির ইবনু সামুরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলো, আমরা কি বকরীর মাংস (মাংস/মাংস/গোসত) খেলে উযূ (ওযু/ওজু/অজু) করবো? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তুমি চাইলে করতে পারো, না চাইলে না কর। সে আবার জিজ্ঞেস করলো, উটের মাংস খাবার পর কি উযূ করবো? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, উটের মাংস খাবার পর উযূ কর। অতঃপর সে ব্যক্তি আবার জিজ্ঞেস করলো, বকরী থাকার স্থানে কি সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায় করতে পারি? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হ্যাঁ, পারো। তারপর সে ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলো, উটের বাথানে কি সালাত আদায় করবো? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, না। (মুসলিম)[1]
=====
এইবার ওমরাহ তে সবচেয়ে বেশি যে রেস্টুরেন্টের খাবার ট্রাই করার সাজেশন পেয়েছিলাম সেটা হচ্ছে Al Romansiah! প্রথমদিন ল্যান্ড করে ওমরাহ শেষ করতে করতে আমার রাত হয়ে ৯টা বেজে গিয়েছিলো।হোটেলে এসে ফ্রেশ হয়ে বিছানায় পিঠটা রাখতেই দেখি রাত ১২টা বেজে গেছে!এদিকে আমি সারাদিন না খাওয়া দুপুরে লাঞ্চ ও করি নাই!লাকিলি আমি যে হোটেলে ছিলাম তার লাগোয়া বিল্ডিংয়েই ছিলো এদের শাখা আর সেদিন রাত ১টা পর্যন্ত ওপেন দেখাচ্ছিলো তাই গিয়ে পৌছালাম সাড়ে ১২টার দিকে। এতো রাতে গিয়েও দেখি প্রচুর মানুষের ভীড়।এদের এখানে অর্ডার দেওয়ার সিস্টেম জানা না থাকলে প্রথমে গিয়ে বুঝে উঠা মুশকিল কারণ সবচেয়ে বড় সমস্যা এখানে কাউন্টারে যারা কাজ করে বেশিরভাগই ইংরেজি জানে না।এই ব্যাপারটা আমার খুব বাজে লেগেছে কারণ ওমরাহ বা হজ্জ করতে তো সারা বিশ্ব থেকে লোকজন আসে তাই অন্য জায়গায় না হোক অন্তত হারাম শরীফের পাশে যেসব এস্টাবলিশমেন্ট আছে সেটা হোটেল রেস্টুরেন্টে আর দোকানপাট যাই হোক না কেন নূন্যতম ইংরেজি জানা লোকজন রাখা উচিৎ সেখানে।
যাইহোক এদের সিস্টেম হচ্ছে কাউন্টারে অর্ডার করে পেমেন্ট কমপ্লিট করে আরেক জায়গা থেকে খাবার কালেক্ট করে নিয়ে টেবিলে গিয়ে বসতে হয়।Savory আইটেম এর জন্য আলাদা কাউন্টার, ডেজার্ট আর জুস/স্মুদি এগুলার জন্য আরেক কাউন্টার।আমি এখানে দুইদিন খেয়েছি একদিন নিয়েছিলাম তাদের বুখারি চিকেন আরেকদিন লাহাম মান্দি।বুখারি চিকেন টা সাজেস্ট করেছিলো Tale of a Gauche কারণ ওর ভাষ্যমতে এটা আমাদের টেস্টবাডের সাথে যায়, অন্যান্য আইটেম এর মতো ব্ল্যান্ড না একটু স্পাইসি।সাথে অবশ্যই নিতে হবে (পে করে) তাদের স্পাইসি সালাদ যেটাকে মেবি সাত্তা বলে (টমেটো দিয়ে করা ঝাল ঝাল এক ধরনের চাটনি)।এই চাটনি টা থাকলে ওদের ড্রাই রাইস টা খেতে সুবিধা হয় আমাদের মতো দেশী টেস্টবাডের মানুষের।আর লাহাম মান্দি খেয়েছিলাম যেদিন আমার এক ছোট ভাই লিখন যে সৌদিতেই থাকে অনেকবছর তার সাথে।ঐটা ওর ট্রিট ছিলো।ডেজার্ট হিসেবে ট্রাই করেছিলাম ওদের উম আলি।
আমার ফিডব্যাক টা নেগেটিভ ভাবে নিবেন না টেস্ট এর কথা যদি বলি অবশ্যই ভালো কিন্তু একটু ম্যাচিওর টেস্টবাড হলে আপনি ধরতে পারবেন এটা আসলে ওদের ট্রেডিশনাল খাবারের একটা ফাস্ট ক্যাজুয়াল ভার্সন মানে অনেকটা আমেরিকার KFC/McDonald's এর মতো করেছে আর কি।অর্ডার দেওয়ার সাথে সাথে দ্রুত চলে আসে কারণ খাবার অলমোস্ট রেডিই থাকে।খেতেও মজা কিন্তু খাওয়ার সময় মনে হবে কি জানি একটা মিসিং।যে ফ্লেভারটা আমি পেয়েছি মদিনায় একেবারে ট্রেডিশনাল সৌদি রেস্টুরেন্টে।মানে পার্থক্যটা খুবই সুক্ষ্ম আপনার টেস্টবাডের উপর ডিপেন্ড করবে আর কি।দামের কথা যদি বলি বেশ ভালোই এক্সপেন্সিভ।কিন্তু পরিমাণেও যথেষ্ট দেয়।ওভারওল আমার কাছে মনে হয়েছে একবার ট্রাই করার জন্য ঠিক আছে।দুইদিন গিয়ে দুই আইটেম ট্রাই করেছি আর রিপিট করতে ইচ্ছা করে নাই।
দাম:
লাহাম মান্দি: ২১০ রিয়াল (১:২)
বুখারি চিকেন (১/২ চিকেন): ৩৫-৪০ রিয়াল এক্সটলি খেয়াল নেই দামটা।
হজ ও ওমরাহ কি? এদের মাঝে পার্থক্য কি? হজ এবং ওমরাহ এর নিয়মাবলী
হজ (Hajj)
হজ এমন একটি ধর্মীয় আচার যা সমস্ত মুসলমানরা যতক্ষণ শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিক ভাবে যাতায়াত করতে সক্ষম হয় ততক্ষণ হজ পালন করা প্রত্যেক মুসলিমের জন্য বাধ্যতা মূলক। জীবনের অন্তত একবার আল্লাহর ঘর কাবা ঘুরে দেখা বাধ্যতামূলক। প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে ৩-৪ মিলিয়ন হজযাত্রী মক্কায় বৃহত্তম এই হজযাত্রা করেন, এটি পৃথীবির মানুষের একক বৃহত্তম সমাবেশে পরিণত হয়।
হজ হল ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের একটি স্তম্ভ। সুতুরাং হজযাত্রা একজন মুসলিমের জীবনে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর ওমরাহর চেয়েও বৃহত্তর ধর্মীয় তাত্পর্য রয়েছে। এটি অন্যতম আধ্যাত্মিক ও ফলপ্রসূ কাজ এবং এর মাধ্যমে একজন ইমানদ্বার মুসলিমের সাথে আল্লাহর সম্পর্ক আরও গভীর হয়। আল্লাহর দরবারে একবার হজ কবুল হয়ে গেলে, অতীতের সমস্ত পাপ আল্লাহর রহমতে মাফ হয়ে যায় এবং তার জান্নাতে পৌঁছানোর রাস্তা প্রসস্ত হয়ে যায়।
ইসলামিক ক্যালেন্ডারের মতে বছরের নির্দৃষ্ট মাসে হজ অনুষ্ঠিত হয় আর সেই গুরুত্বপূর্ন মাস টি হচ্ছে জিলহজ মাস। এই জিলহজ মাসের ৯ থেকে ১৩ তারিখ হচ্ছে পবিত্র হজের নির্দিষ্ট সময়। বছরের অন্য কোনও মাসে বা সময়ে হজ পালন করা যায় না।
হজের সময়, আল্লাহর সন্তষ্টি ও আনুগত্য অর্জনে প্রত্যেক ধর্মপ্রান মুসলমানের জন্য হজের তিনটি ফরয পালনীয়। হজের তিনটি ফরয হল-
ইহরামঃ- হজের প্রথম ফরয ইহরাম। ইহরাম অর্থ বারন করা, ইহরামের মধ্য দিয়ে হজ শুরু হয়। হজ যাত্রীদের অবশ্যই ইহরাম অবস্থায় থাকতে হবে। ইহরাম এমন একটি ব্যবস্থাপনা যেখানে তারা অবশ্যই যৌন ক্রিয়াকলাপে অংশ নেবে না, লড়াই করবে না বা পাপাচার করবে না এবং সাদা পোশাক পরতে হবে যা পবিত্রতা, সাম্যতা এবং ঐক্যের প্রতীক।
উকুফে আরাফাঃ- হজের দ্বতীয় ফরয উকুফে আরাফা। উকুফে আরাফা হচ্ছে ৯ই জিলহজ্জের দ্বিপ্রহরের বা দুপুরের পর হতে অর্থাৎ সূর্য ঢলার পর হতে ১০ই জিলহজ্জ সুব্হে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত যে কোনো সময় আরাফার ময়দানে উপস্থিত থাকা বা অবস্থান করা।
তাওয়াফঃ-হজের তৃতীয় এবং শেষ ফরয হচ্ছে তাওয়াফ। এ সময় সম্মানিত হাজী সাহেব গন ইসলামের সর্বাধিক পবিত্র স্থান মসজিদ আল-হারামে অবস্থিত পবিত্র কাবাগৃহের চর্তুদিকে সাতবার তাওয়াফ বা প্রদক্ষিণ করেন।
ধর্মপ্রান হাজীদের জন্য হজের ছয়টি ওয়াজিব রয়েছে
সাফা ও মারওয়া পাহাড়গুলো মধ্যে ৭ বার সায়ি করা।
অকুফে মুযদালিফায় (৯ই জিলহজ) অর্থাৎ সুবহে সাদিক থেকে সূর্যদয় পর্যন্ত একমুহূর্তের জন্য হলেও অবস্থান করা।
মিনায় তিন শয়তান (জামারাত) সমূহকে পাথর নিক্ষেপ করা।
হজে তামাত্তু ও কিবরান কারীরা হজ সমাপনের জন্য দমে শোকর করা।
এহরাম খোলার পূর্বে মাথার চুল কাটা।
মক্কার বাইরের লোকদের জন্য তাওয়াফে বিদা অর্থাৎ মক্কা থেকে বিদায়কালে তাওয়াফ করা।
এছাড়াও হজের যে সমস্ত আমল রয়েছে তার সবই সুন্নাত অথবা মুস্তাহাব।
ওমরাহ (Umrah)
ইসলামে নির্দেশিত নিয়ম অনুযায়ী বাইতুল্লাহ বা আল্লাহর ঘর জিয়ারত করাকে ওমরাহ বলে। ওমরাহ পালনের নিয়ম হল- ইহরাম বাধা, তালবিয়া, ক্বাবা শরীফের চর্তুদিকে তাওয়াফ করা, সাফা ও মারওয়া’র মধ্যস্থলে সাঈ করা এবং মাথা মুণ্ডনো বা মাথার চুল কাটা।
হজ এবং ওমরাহর মধ্যে পার্থক্য
হজ ও ওমরাহর মধ্যে অনেক ধরনের পার্থক্য বিদ্যমান। এ পার্থক্যটা মূলত গুরুত্ব এবং পদ্ধতির মধ্যে।
প্রত্যেক শারীরিকভাবে উপযুক্ত এবং আর্থিকভাবে ভাবে সক্ষম মুসলমানের জন্য হজ ফরজ। আপর পক্ষে ওমরাহ পালন করা সুন্নত।
হজ শুধু মাত্র একটি নির্দিষ্ট সময়ে পালন করা যয় কিন্তু ওমরাহ বৎসরের যে কোন সময়ই পালন করা যায়। তবে ৯ জিলহজ থেকে ১৩ জিলহজ পর্যন্ত ওমরাহ করা মাকরূহ।
হজের মধ্যে আরাফাত ও মুযদালিফায় অবস্থান, দু’নামায এক সাথে আদায় করা ও খুতবার বিধান রয়েছে এবং তাওয়াফে কুদূম এবং তাওয়াফে বিদা’ র বিধানও রয়েছে কিন্তু ওমরাহ এর মধ্যে এসবের বিধান নেয়।
হজের মধ্যে জামরাতুল আক্বাবাহ’তে রামী (কংকর নিক্ষেপ) করার সময় মওকূফ করা হয়। আর ওমরাহর মধ্যে তাওয়াফ আরম্ভ করার সময় তালবিয়াহ পড়া মওকুফ করা হয়।
হজ কোন কারনে নষ্ট হলে পরবর্তী বছর পুনরায় তা সম্পন্ন করতে হয় কিন্তু ওমরাহ নষ্ট হলে বা জানাবত (ওই নাপাকী যা দ্বারা গোসল ফরয হয়।) অবস্থায় তাওয়াফ করলে (দম হিসেবে) একটা ছাগল বা মেষ জবেহ করা যথেষ্ট।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
প্রতিটি বাবা-মা এর মন হয়তো এই কথাগুলোই বলে
প্রিয় সন্তান, আমি যখন বার্ধক্যে উপনীত হবো, আমি আশা করবো “তুমি আমাকে বুঝবে এবং আমার সাথে ধৈর্যশীল হবে”, ধরো আমি যদি হঠাৎ থালা ভেঙ্গে ফেলি, অ...
-
আচ্ছা শুনেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা ! অনেক ভাই-বোনেরা দ্বিধা দ্বন্দ্বে থাকেন ফজর এবং মাগরিবের পরে কি পড়বেন? কোন দোয়াটা বেশি পড়া উচিত আ...
-
প্রশ্নঃ একটি চোখের হাসপাতালের ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কি রকম হওয়া উচিত, বিস্তারিত আলোচনা করুন? একটি চোখের হাসপাতালের ইনভেন্টরি ম্...
-
প্রশ্ন: ১) একটি চোখের হাসপাতালের হিসাব রক্ষণ এর কার্যক্রম এর সাথে জুতা প্রস্তুত কারক ও দোকানে জুতা বিক্রির প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষণ কার্যক্...







No comments:
Post a Comment